
ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত: সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আপসহীন নেতৃত্ব
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর ও হরিরামপুরের সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন একমাত্র নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেতা এলাকায় পরিচিত হয়েছেন সৎ ও সাহসী রাজনীতিবিদ হিসেবে।
তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমাদের দলের কেউ যদি চাঁদাবাজি, লুটতরাজ বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকে, তাকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে তাকে বেঁধে রেখে আমাদের জানান। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব।”
শান্ত প্রতিটি জনসভা ও প্রোগ্রামে জনগণের সামনে একই বার্তা দিয়ে আসছেন — সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আপসহীন থাকার অঙ্গীকার।
শান্ত আরও বলেন, “দেশ ও জাতির কল্যাণে আমাদের রাজনীতি করতে হবে। জনগণ অনেক আশা নিয়ে আমাদের নির্বাচিত করে। তাই সেই জনগণের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমি কোনো চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিই না, এ কারণেই সাধারণ মানুষ আমার পাশে থাকেন।”
গাঙচিল নিউজ-এর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বললে সিংগাইর ও হরিরামপুরের একাধিক ভোটার জানান, ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত একজন সৎ, নির্ভীক ও মানবিক রাজনীতিবিদ। তার পিতা, প্রয়াত শিল্পমন্ত্রী শামসুল ইসলাম খান (নয়া মিয়া) ছিলেন মানিকগঞ্জের একজন আদর্শ রাজনীতিক। সততার কারণে আজও জেলাবাসীর হৃদয়ে তিনি অম্লান। ছেলের মাঝেও সেই সততা ও মূল্যবোধ প্রতিফলিত হচ্ছে।
তবে, শান্তর জনপ্রিয়তা ও সৎ অবস্থানের কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে রাজনৈতিকভাবে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। শান্ত যদি এমপি হন, তাহলে তাদের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে — এ আশঙ্কা থেকেই তারা শান্তর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে।
সাধারণ জনগণের বিশ্বাস, এসব অপপ্রচারে কোনো কাজ হবে না। তারা আবারো ভোট দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্তকে সংসদে পাঠাবে — একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী সমাজ গঠনের জন্য।